বছররের প্রথম কুয়াশার চাদর কোচবিহারে

 বছরের প্রথম কুয়াশার চাদরে মুড়ল কোচবিহার 



কুশল দাশগুপ্ত , কোচবিহার , ১৪ নভেম্বরঃ  বছরের প্রথম কুয়াশা। আজ ভোর থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে রাজনগর কোচবিহার। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঝলমলে রোদের দেখা মেলে। কোচবিহারে কিছুটা শীত পড়লেও, এখনো জাঁকিয়ে শীত পড়েনি। রবিবার কোচবিহারের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রী এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৯ ডিগ্রী থাকবে বলে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর। তবে কোচবিহারে বিগত বছরগুলোতে যে শীত দেখা গিয়েছে, তা নভেম্বরের আর্ধেক শেষ হয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি।
শীতের সময় কোচবিহারে বহু পর্যটকরা ভিড় জমান। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার থেকে শুরু করে জলপাইগুড়ি ডুয়ার্স  এলাকায় যে সমস্ত পর্যটকরা ঘুরতে আসেন, তারা রাজবাড়ী থেকে শুরু করে রসিকবিল, মদনমোহন বাড়ি সহ কোচবিহারের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভীর জমান। শীতে এবার উত্তর-পূর্ব ভারতের সব থেকে বড় মেলা  কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী রাস মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গতবছর করোনার কারণে এই মেলা বন্ধ থাকলেও, এ বছর শীতের সময় এই মেলা পর্যটকদের আরও বেশি করে কোচবিহারে নিয়ে আসবে বলেই মনে করা হচ্ছে ।গত বছরে করোনার কারনে লকডাউন থাকায় পর্যটকদের ভীড় একেবারেই ছিলো না বললেই চলে,কিন্তুু এবারে পর্যটকদের ভীড় উপচে পড়েছে গোটা কোচবিহারে,তাতেই খুশি কোচবিহারের হোটেল এবং লজের মালিকেরা,অনেকেই জানিয়েছেন যদি এবারে গতবারের মতন ব্যাবসা চলত তবে আমাদের এই ব্যাবসা বন্ধ করে দিতে হত,কত আর ঘরের টাকা দিয়ে চালাবো,একেকমাসে ষ্টাফেদের মায়না দিতেই হিমসিম খেতে হয়েছে,এবারের লোকেরা আসায় আমাদের আমরা আবার নতুন করে আশা দেখতে শুরু করেছি।শীত পড়লেই আরো বাড়বে পর্যটকদের আগমন আমরা এই আশায় আপাতত আছি।যদি ঠান্ডা বাড়ে এবং আবার কুয়াশা পড়ে তবে আবার আগের মতন লোক আসবে বলে আশা রাখি আমরা।জানালেন কোচবিহারের এক বিখ্যাত হোটেলের মালিক।

মন্তব্যসমূহ